জাহিদ হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার
খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সরকারি অর্থায়নে নির্মিত পাকা ড্রেনগুলো যথাযথ ব্যবহারের অভাবে বর্তমানে ময়লা-আবর্জনা ও পলিথিন ফেলার স্থানে পরিণত হয়েছে। ফলে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সৃষ্টি হচ্ছে দুর্গন্ধ, মশার উপদ্রব এবং জনদুর্ভোগ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিঘলিয়া সদর ইউনিয়ন ও সেনহাটি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ড্রেন ব্যবস্থাপনার অবনতি সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দিঘলিয়া ইউনিয়নের দেয়াড়া ও ফরমাইশখানা গ্রামে নির্মিত ড্রেনগুলোতে পলিথিন, গৃহস্থালির বর্জ্য ও অন্যান্য ময়লা-আবর্জনা জমে থাকায় পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে ড্রেনের পানি স্থির হয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এবং মশার প্রজননক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে।
অন্যদিকে সেনহাটি ইউনিয়নের ৪, ৫, ৬, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায়ও একই চিত্র দেখা গেছে। বিশেষ করে কে.আই.টি.সি মিলের প্রধান ফটকের সামনে এবং এর উত্তর-পূর্ব পাশের এলাকায় ড্রেনে ময়লা ফেলার প্রবণতা বেশি হওয়ায় সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কিছু অসচেতন ব্যক্তি নিয়মিতভাবে ড্রেনে গৃহস্থালির বর্জ্য ও পলিথিন ফেলছেন। ফলে ড্রেনের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং আশপাশে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। এতে পথচারী ও স্থানীয়দের চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অনেককে নাক চেপে ওইসব এলাকা অতিক্রম করতে দেখা যায়।
সেনহাটি ৭নং ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দা সুমাইয়া এ প্রতিবেদককে বলেন, একটু বৃষ্টি হলেই পানিতে তলিয়ে যায় রাস্তা সহ মদিনা মসজিদের এই এলাকা। এতেকরে স্বাভাবিক চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে আমাদের। ভোগান্তি এড়াতে আমাদের যেমন সচেতনতার প্রয়োজন রয়েছে তেমনি ড্রেনেজ ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষেরও সরব ভূমিকা পালন করা উচিৎ।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত ড্রেনগুলো পরিষ্কার করা, নিয়মিত তদারকি বৃদ্ধি এবং যারা ড্রেনে ময়লা ফেলছেন তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। তারা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সম্পাদকঃ মোঃ হায়দার আলী, নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ সোহেল রানা। ৩৬০, সপুরা, বোয়ালিয়া, রাজশাহী হতে সম্পাদিত ও প্রকাশিত। যোগাযোগঃ মোবাইলঃ +৮৮-০১৭২৮৬৫৪৮০১, +৮৮-০১৭৯২১১৮৭৪৫ ইমেইলঃ news@amaderjonmovumi.com
Copyright © 2026 আমাদের জন্মভূমি. All rights reserved.