অপরাহ্ণ ০৯:১৩
সোমবার
১ই বৈশাখ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের সর্বোত্র বিএনপি’র কিছু নেতার শেল্টারে আওয়ামী জামানার ধান্দাবাজরা সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে গিয়ে দলের বারোটা বাজাচ্ছে


sohel প্রকাশের সময় : মার্চ ১২, ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ন /
চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের সর্বোত্র বিএনপি’র কিছু নেতার শেল্টারে আওয়ামী জামানার ধান্দাবাজরা সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে গিয়ে দলের বারোটা বাজাচ্ছে

এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের সর্বোত্র বিএনপি’র কিছু নেতার শেল্টারে থাকা আওয়ামী জামানার ধান্দাবাজরা সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে গিয়ে ওই সব বিএনপি’র নেতা কর্মীদের নামধারীদের পকেট ভারী করে দলের বারোটা বাজাচ্ছে।

সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, বিগত আওয়ামী জামানায় আওয়ামী এমপি এবং নেতাদের তোষামোদ কারীরা এখন বিএনপি’র এমপি এবং নেতাদের তোষামোদ করতে খুব ভালো লাগে বলে তা করে যাচ্ছে!
আর সেই ভালো লাগার খেয়াল বশত: তারা সুর/খোলস পাল্টিয়ে এখন যতো টাকা লাগে তাতে কোনো সমস্যা নাই শুধু পুরোনো দিনের স্মৃতি গুলো চাপা দিয়ে নতুন ভাবে চলার সুযোগ পেলেই হলো (!) বলে এমন মনোভাব নিয়ে ঢেলে দিয়েছে অঢেল টাকা! কিন্তু, তাদের ওই টাকা খেলো কে? নয় তো ওদের সেই টাকা গেলো কোথায়?? আর টাকা যদি না-ই বা ঢেলে দেয় তাহলে তারা আওয়ামী জামানার পুরোনো দিনের দস্যু হওয়ার পর ও কি ভাবে বিএনপি’তে জায়গা করে নিতে পারলো? আর বিএনপি’তে জায়গা করে না নিলে তারা বিএনপি’র মিটিয়ের স্টেজে উঠার সুযোগ পায় কি ভাবে? এবং এবং এমপি ও বিএনপি’র দায়িত্ববান নেতাদের ধারেকাছে ঘেঁষার ও বা সুযোগ পায় কি ভাবে।
প্রাসঙ্গিক ক্রমে বলাবাহুল্য যে, মীরসরাই থেকে নবনির্বাচিত বিএনপি’র এমপি নুরুল আমিন উড়ে এসে জুড়ে বসা বা টাকা মেরে দল থেকে মনোনয়ন নিয়ে যেনতেন আকারে নির্বাচন করে বনে যাওয়া কোনো এমপি নন্।
নুরুল আমিন রাজনীতির চষে হামলা-মামলা, অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করে আসা দলের এক পরিক্ষিত নেতা।
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের নামে ষড়যন্ত্রের কালো থাবায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হলে ও দলের আদর্শ থেকে বিচ্যুত না হওয়া বা কোনো দিকে নড়াচড়া না করার পারদর্শিতায় তিনি তাতে উর্ত্তীণ হয়ে শেষান্তে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট সাইফুর রহমান কে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে এমপি নির্বাচিত হওয়া একজন। বিগত আওয়ামী জামানার ব্যাবসায়ী, শিক্ষক, প্রশাসনিক কর্তা এবং সাংবাদিক সহ আরো আওয়ামী ক্যাডারের ন্যায় বিগত সযময় অত্যন্ত দাম্ভিকতার সাথে চলতে গিয়ে প্রভৃতি বিস্তারের স্টিম রোলারের নিচে চাপা দিয়ে বিএনপি’র নেতা কর্মীদের নানাবিধ: ভাবে জিম্মি করে রাখা সহ কখন কি করেছে তার প্রায় সব কিছুই এমপি নুরুল আমিন এর জানা থাকার কথা। কিন্তু, তিনি কেনো ওই সব বিতর্কিত ব্যক্তিদের সংবর্ধনা নামক দালালী এবং ধান্দাবাজির কাছে পরাজিত হয়ে তাদেরকে কাছে ঘেঁষার সুযোগ দিচ্ছেন? কেনো-ই বা হাসৌজ্জলতায় ছবি তুলে নিয়ে প্রভাব খাটানোর পথ সুগম করে দিচ্ছেন?
অবশ্য বলাবাহুল্য যে, বিএনপি’র রাজনীতিতে থাকা কিছু ব্যাক্তি বিশেষের শেল্টারে ওই গুলো করা হচ্ছে বলে একাধিক সূত্র জানায়। মীরসরাইয়ের নানাবিধ: ভাবে গজে উঠা সংগঠনের পক্ষ থেকে এমপি নুরুল আমিন কে সংবর্ধনা দেয়ার নামে যে গুলো করে যাচ্ছে সেই রকম তারা বিগত আওয়ামী জামানায় আওয়ামী এমপি এবং নেতাদের দিয়ে করিয়ে ছিলেন!
তফাৎ শুধু এমপি এবং সরকারের উলটপালট, আর টাকা খরচ করা। টাকা খরচ করার মাধ্যমে সব সময় সম সুবিধা ভোগ করে যাওয়া।
কিন্তু, তাদের প্রদত্ত ওই মোটা অঙ্কের টাকা গেলো কারা? টাকা দিয়ে যদি বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি’র নেতা-কর্মীদের কিনে নিয়ে বিগত আওয়ামী সরকারের সময়ের গুন্ডা পান্ডারা এলাকায় অবাধ বিচরণ করা এবং সানন্দে ব্যবসা বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়া সহ আরাম আয়েসী জীবন কাটিয়ে যেতে পারলে অন্যান্যরা পালিয়ে থাকতে হবে কেনো? উল্লেখ্য যে, একদিকে বিএনপি’র চেয়ারম্যান এবং বর্তমান দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা দিয়ে বলেছেন- আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সাথে যে সব বিএনপি’র নেতা-কর্মীদের ছবি আছে তাদেরকে দলের কোনো কমিটিতৈ রাখা যাবে না। অথচ, মীরসরাইয়ের বিএনপি’র রাজনীতিতে দেখা যায়/যাচ্ছে শুধু ছবি থাকা নয় তারা একে অপরের পরিপূরক হয়ে সোৎসাহে ব্যবসা সহ নানাবিধ: আ’কাম কু’কাম করে যাচ্ছে। আর এর বেনিফিট যাচ্ছে দায়িত্বের লেবাসী কথিত বিএনপি’র নেতাদের পকেটে।
অন্যদিকে মীরসরাইয়ের বিএনপি’র এমপি নুরুল আমিন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশানুসারে মীরসরাইকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলদারী এবং নানাবিধ: অপরাধ নির্মুল সহ মাদকমুক্ত করতে ১৫ দিনের সময়সীমা বেঁধে ঘোষণা দিয়ে বলেছেন- ওই সব ঘটনার সাথে দলের কোনো নেতা-কর্মী জড়িত থাকলে ও ছাড়া দেয়া হবে না।
ফলে, মীরসরাইয়ের সর্বোত্র তারেক রহমানের নির্দেশনা মোতাবেকিয় ঘোষণা এবং অনুরূপ এখানকার দলীয় এমপি নুরুল আমিন এর ঘোষণা সাধারণ মানুষের মাঝে আশার আলো দেখানোর অবস্থা হলে ও ঘটনার জড়িত কারা এবং কে, বা কারা তাদেরকে পরিচালিত করে যাচ্ছে তা ভাবনার বিষয় বলে ও মনে করছেন অনেকেই।