

মিস রত্না খাতুন স্টাফ রিপোর্টার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হয়েছে। প্রচারণার প্রথম দিনেই নগরী ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশে রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মাঠে নেমেছেন। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত লিফলেট বিতরণ, পথসভা, গণসংযোগ, মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা এবং মাইকিং এর মাধ্যমে প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে নিজেদের বার্তা পৌঁছে দেন।
রাজশাহী-২ (সদর) ও রাজশাহী-৩ আসনসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা পৃথক পৃথক কর্মসূচির মাধ্যমে প্রচারণা চালান। প্রার্থীরা ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও সুশাসনের প্রতিশ্রুতি দেন। অনেক এলাকায় প্রার্থীদের সঙ্গে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।
রাজশাহী সদর আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু নগরীর পানি উন্নয়ন বোর্ডের সামনে থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেন। এইসময় তিনি ভোটারদের কাছে গিয়ে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন এবং নগরীর উন্নয়নে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সামনে থেকে গণসংযোগ শুরু হয়ে শালবাগান মোড়ে শেষ হয়।
গণসংযোগকালে মিনু বলেন, বিএনপি হচ্ছে জনগণের দল। এই দলে কোন ভেদাভেদ নাই। সবাই এক কাতারে রয়েছে। তিনি আরো বলেন, ধানের শীষ হচ্ছে উন্নয়নের প্রতীক। এই প্রতীক শুধু বিএনপির নয়। দেশের সব জনগণের। এজন্য কারো কথায় বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।
এই আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর নগরীর জিরো পয়েন্টে গণসংযোগ শুরু করেন এবং ভোটারদের কাছে গিয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে ভোট প্রার্থনা করেন।
বৃহস্পতিবার রাজশাহী-২ আসনের এবি (আমার বাংলাদেশ) পার্টির প্রার্থী মুহাম্মদ সাঈদ নোমান হযরত শাহ মখদুম (রহ) এর মাজারে জোহরের নামাজ শেষে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করেছেন। তিনি জনগণের সহযোগীতা প্রত্যাশা করেছেন। পাশাপাশি তিনি ভোটারের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করে গণসংযোগ শুরু করেন। এদিন তিনি তাঁ নিজ এলাকা রাসিক ২৮নং ওয়ার্ডের কাজলা এবং ২৯ নম্বার ওয়ার্ডের ডাসমারি এলাকা গণসংযোগ করেন।
এসময় তাঁর সাথে ছিলেন সংগঠনের মহানগর যুগ্ম আহবায়ক সাগর হোসাইন, মতিহার থানা আহবায়ক রুবেল হাসান ও সদস্য সচিব তুষার হাসান, যুগ্ম আহবায়ক রোকনুদ্দীন, চন্দ্রিমা থানা সদস্য সচিব সিয়াম আহমেদ প্রমুখ। তিনি এই আসনে ঈগল প্রতিক নিয়ে লড়াইয়ে নেমেছেন।
রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শফিকুল হক মিলন পবা উপজেলার ৩ নম্বর দামকুড়া ইউনিয়ন থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেন এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডে নির্বাচনী কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন। এইসময় তিনি ভোটারদের কাছে ধানের শীষ প্রতিকে ভোট চান এবং দুই উপজেলার উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জনগণকে অবহিত করেন। একই আসনে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ। তিনি নওহাটা পৌরসভার কলেজ মোড় থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেন এবং তার প্রতিক দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট চান।
রাজশাহী-৬ চারঘাট-বাঘা) আসনে বিএনপি’র প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদ বৃহস্পতিবার সকালে বাঘা উপজেলার ঐহিহাসিক শাহউদ্দৌলা মাজার জিয়ারত করে বাজুবাঘা বাজারে প্রচারণায় নামেন।
এছাড়াও রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলা এবং উপজেলায় শুরু হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা।
নাটোর: শহরের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেন নাটোর সদর আসনের জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক ইউনুস আলী। প্রচারণা শুরুর প্রাক্কালে তিনি বলেন, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত নাটোর গড়ার পাশাপাশি তিনি একটি উন্নয়ন মূলক নাটোর উপহার দিতে তিনি নিরলস কাজ করে যাবেন। এ ব্যাপারে জনগণের ব্যাপক সাঁড়া মিলছে, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট হলে তিনি বিজয় লাভ করবেন। এ সময়ে জেলা আমির মীর নুরুল ইসলাম, নায়েবে আমির অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক সাদেকুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি আতিকুল ইসলাম রাসেল, শহর আমির রাশেদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আলী আল মাসুদ মিলন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু সকালে নাটোর সদরের ছাতনী ইউনিয়নের দিয়ার বাজার থেকে নির্বাচনী প্রচারনা উদ্বোধন কালে বলেছেন, ইতোপূর্বে আমি এই নাটোর সদর থেকে তিনবার এমপি নির্বাচন অংশগ্রহণ করেছিলাম। দীর্ঘ প্রায় ২৪ বছর আবারো আল্লাহ আমাকে নির্বাচনে ধানের শীষের প্রতীকে নির্বাচনে অংশগ্রহনে সুযোগ করে দিয়েছে। আমি নাটোর সদর থানার ছাতনী ইউনিয়নের ছাতনী দিয়ার থেকে আজকে নির্বাচন প্রচারনা শুরু করলাম আমি আশা করছি আগামী নির্বাচনে নাটোর নলডাঙ্গা মানুষ ইতি পূর্বে আমাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছে ঠিক একই ভাবে আমাকে বিজয়ী করবে।
মহাদেবপুর: পজেলা সদরের মহাদেবপুর ব্রীজ রোডের নির্বাচনী অফিসে আলোচনা সভা শেষে নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে ভোটারদের দারে দারে ধানের শীষ মার্কা প্রতীকে ভোট চাওয়ার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা শুরু করলেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মো: ফজলে হুদা বাবুল। অপর দিকে মহাদেবপুরের আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনি (কলস মার্কা) বৃহস্পতিবার সকালে তার মরহুম পিতা জাতীয় সংসদের সাবেক ডেপুটি স্পীকার বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আখতার হামিদ সিদ্দিকী নান্নুর কবর জিয়ারতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। একই সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ছোট ভাই রেজুয়ানুল হক সিদ্দিকী কলস মার্কার লিফলেট বিতরণ মাধ্যমে উপজেলার ভীমপুর ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন এলাকায় ভোটারদের দারে দারে ভোট প্রার্থনা করেন।
একই সাথে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাও: মো: মাহফুজুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা মার্কা) উপজেলার বাগডোব বাজার থেকে লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন। নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মুফতি নাসির বিন আছগর (হাত পাখা মার্কা) মহাদেবপুর সদরের নির্বাচনী অফিস থেকে কর্মী সভার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন।
নিয়ামতপুর: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান-এর পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকের প্রচারণা শুরু হয়েছে। উপজেলা বিএনপি কার্যালয় থেকে এই প্রচারণা কার্যক্রমের সূচনা করা হয়। এসময় দলীয় নেতাকর্মীরা ধানের শীষের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও এলাকায় গণসংযোগ করেন।
এই সময় মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে বিএনপির বার্তা পৌঁছে দিতে এবং ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়াতে ধারাবাহিকভাবে প্রচারণা চালানো হবে।
এ সময় ছিলেন নিয়ামতপুর উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইসহাক আলী সরকার সহ-সভাপতি একে এম খলিলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবীর বাচ্চু, সহ-সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম সুজা, দপ্তর সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম তোতা, নিয়ামতপুর উপজেলা কৃষক দলের সাবেক আহবায়ক আব্দুল মতিন, উপজেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মতিউর রহমান, যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক জিএম কাউসার রতন, উপজেলা ছাত্রদলের, সদস্য সচিব আঞ্জুমান পাভেল সহ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
রহনপুর: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম এর ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থনে রহনপুর পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিছিলে নেতৃত্বে ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আসাদুল্লাহ আহমদ, রহনপুর পৌরসভা বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক আশরাফুল হক, বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম খান, তাজাম্মুল হক তাজেল,মোহাম্মদ আলী, বাবলু মহাজন, সাবেক কাউন্সিলর মানিক, জুয়েল ইসলাম, আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম, সাবেক কাউন্সিলার ইউসুফ আলী, মোঃ নুরুদ্দীন, বিএনপি নেতা সেরাজুল ইসলাম প্রমুখ।
এদিকে রহনপুর পৌরসভা বিএনপির উদ্যোগে পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ধানের শীষের সমর্থনে মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিছিলে নেতৃত্ব দেন রহনপুর পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক এনায়েত করিম তোকি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রহনপুর পৌরসভা বিএনপির সদস্য সচিব ডাক্তার ইসমাইল হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক সাবেক কাউন্সিলর সাদিকুল ইসলাম প্রমুখ।
নওগাঁ: সকাল থেকেই নির্বাচনি প্রচারে মাঠে নেমেছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও তাদের সমর্থকেরা। প্রচার-প্রচারণার প্রথম দিনেই উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচনী এলাকায় ছুটে গিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট চাইছেন তারা। পাশাপাশি দিচ্ছেন উন্নয়ন ও পরিবর্তনের নানা প্রতিশ্রুতি। সকাল ১১টায় নওগাঁ-৫ (সদর) আসনের বিএনপির প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম ধলু বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের নিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়ার মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। পরে শহরের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন নেতাকর্মীদের নিয়ে। ভোটারদের মন জয়ে উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিজ প্রতীক ধানের শীষে ভোট চান। অন্যদিকে সকাল ১০টায় সদর উপজেলার মকরামপুর চারমাথা এলাকা থেকে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী আ স ম সায়েম নেতাকর্মীদের নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরু করেন। এসময় ভোটারদের কাছে উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিজ প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় ভোট চান। পরে তিনি বিভিন্ন এলাকায় গনসংযোগ করেন। এদিকে সিপিবি মনোনীত ও গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী শফিকুল ইসলামের কাস্তে মার্কার প্রচারণা সদর উপজেলার গাঁজা মাহালের চাকলা উচ্চ বিদ্যালয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক মাধ্যমে শুরু করেন। বিএনপির প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম ধলু বলেন, ‘নওগাঁ বিএনপি ও ধানের শীষের ঘাঁটি। গত ১৭ বছর মানুষ ভোট দিতে পারেনি। এই নির্বাচন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ধাপ। আমরা শতভাগ আশাবাদী বিজয়ের ব্যাপারে। বর্তমানের নির্বাচনের পরিবেশ পরিস্থিতি রয়েছে। নির্বাচিত হলে যেসব সমস্যা আছে সমাধানে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেব।’ জামায়াতের প্রার্থী আ স ম সায়েম বলেন, ‘বিগত সময়ে যারা ক্ষমতায় ছিলেন তারা শহরের উন্নয়ন করতে পারেনি। নওগাঁ একটি উন্নয়ন বঞ্চিত শহর। ভোটাররা সুযোগ দিলে যেসব সমস্যা আছে তার স্থায়ী সমাধান করা হবে। নওগাঁকে পরিবেশ বান্ধব মানুষের বসবাসের উপযোগী শহর গড়ে তোলা হবে। নওগাঁর ৬টি সংসদীয় আসনে এবার বিএনপি-জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের ও স্বতন্ত্রসহ মোট ৩২জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
প্রচারণার প্রথম দিনে কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নগরী ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল জোরদার ছিল। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী পোস্টার লাগানো, মাইক ব্যবহারের সময়সীমা ও শোভাযাত্রার শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদারকি করা হয়।
ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন পর নির্বাচনী আমেজে তারা উচ্ছ্বসিত। অনেক ভোটার জানান, উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক পরিকল্পনা যিনি বাস্তবায়নে সক্ষম হবেন, তাকেই তারা ভোট দেবেন। প্রার্থীদের কাছ থেকে বাস্তবসম্মত প্রতিশ্রুতি ও স্বচ্ছ নির্বাচনের প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তারা।
নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতে রাজনৈতিক দলগুলো শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল পরিবেশ বজায় রাখার অঙ্গীকার করেছে। আগামী দিনগুলোতে প্রচারণা আরও জোরদার হবে বলে জানান প্রার্থীরা। সব মিলিয়ে রাজশাহীতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে জমে উঠেছে রাজনৈতিক মাঠ, আর ভোটের উৎসবে মুখর হয়ে উঠছে জনপদ
আপনার মতামত লিখুন :